শিরোনাম
বালিদীয়া মধ্যেপাড়া-তিরখী সড়কের বেহাল দশা চরম দুর্ভোগে তিন গ্রামের হাজারো মানুষজিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুসের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্নগাজীপুরে এনআইসিইউ না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে হামে আক্রান্ত বাচ্চার স্বজনদেরসুষ্ঠুভাবে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করছে ছাত্রদল নেতা ফাহাদপরিচ্ছন্নতাকর্মীর মেয়ের বিয়েতে গিয়ে সর্বমহলে প্রশংসিত গাজীপুরের ডিসিকালিকাপ্রসাদে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিতগাজীপুরে ভাওয়াল রিসোর্টে ডিজে পার্টিতে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযান: বিপুল মাদকসহ গ্রেফতার ৬পহেলা বৈশাখের বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর গফরগাঁওপাগলা থানা যেই নামে উপজেলা’হবে সেই নামে ঘোষণা- অন্য নামে নয়-এ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশদেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা আজমাইনগফরগাঁও সহ দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ফখরুল হাসানগাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধনত্রিশালে মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতারত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতফ্যামিলি ডে ও অক্সফোর্ড স্কলার্স ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষার ক্রেস্ট, সম্মানী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত অটোপাশের দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের ওপর ফের হামলাগাজীপুরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরুত্রিশালে জাতীয়ভাবে উদযাপিত হতে যাচ্ছে নজরুল জয়ন্তী,সাংস্কৃতিক বিকাশে ব্যাপক প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভানজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে জিএসটি গুচ্ছ ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত​ত্রিশাল থানায় ৩ বছরের শিশু লাবিব হত্যা: ঘাতক পিতা ও সৎ মা গ্রেপ্তার
.
Main Menu

গোল্ডেন মনিরের ৫৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

 

জনতার নিঃশ্বাস :

রাজধানীর মেরুল বাড্ডা থেকে বিপুল অর্থ, অস্ত্র-মদ ও সোনাসহ গ্রেপ্তার গোল্ডেন মনির হোসেনের ৫৩ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বেশ কিছুদিন আগে থেকেই চলমান প্রাথমিক অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে আসে। শুধু তাই নয়, ২০১২ সালে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলাও করেছিল দুদক। ওই মামলায় মনির হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। যার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি।

এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, মনিরের বিরুদ্ধে একাধিক অনুসন্ধান ও তদন্ত চলছে। যত দ্রুত সম্ভব অনুসন্ধান শেষ করা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, মনির হোসেনের তিন কোটি ৮৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬০০ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে অনুসন্ধানে। র‌্যাবের অভিযানে জব্দ করা টাকা, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণলংকার ও গাড়িসহ ৪৫ কোটি ১৭ লাখ ২৭ হাজার টাকার সম্পদেরও বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ ৪৯ কোটি দুই লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকার সম্পদে সপক্ষে মনির হোসেন কোনো তথ্য-প্রমাণ দিতে পারেননি। এছাড়া মনির হোসেনের স্ত্রী রওশন আক্তারের নামে দুদকের অনুসন্ধানে তিন কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ২৯৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পাওয়া যায়। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ দেওয়া হবে।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে আরও জানা যায়, মনির হোসেনের স্ত্রী রওশন আক্তার একজন গৃহিনী। কিন্তু তার এসব সম্পদ অর্জনের কোনো বৈধ উৎস পাওয়া যায়নি। তিনি ২০১৬ সালের পরে এসব অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে র‌্যাব মনির হোসেনের বাসা তল্লাশি করে একটি পিস্তল, চারটি গুলি, চার লিটার বিদেশি মদ, ৩১টি নকল সিল, ১০ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল, ৫০১ ইউএস ডলার, ৫০০ চায়নিজ ইয়েন, ৫২০ রুপি, এক হাজার সিঙ্গাপুরের ডলার, ২ লাখ ৮০ হাজার জাপানি ইয়েন, ৯২ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ১০ দিরহাম, ৬৬০ থাই বাথ জব্দ করেছে। এগুলো মূল্য আট লাখ ২৭ হাজার টাকা। এছাড়া ৬০০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং নগদ এক কোটি ৯ লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে। গোল্ডেন মনিরের বাসার নিচের পার্কিং থেকে বিলাসবহুল দুইটি প্রাডো গাড়ি পাওয়া গেছে। মনির এবং তার পরিবার গাড়ি দুইটি ব্যবহার করত। এছাড়া আরও তিনটি গাড়ি তারা ব্যবহার করতো। এসব গাড়িগুলো কোনো বৈধ কাগজ নেই। পাঁচটি গাড়ির বাজারমূল্য প্রায় আট কোটি টাকা।

অনুসন্ধানে মনিরের আয়কর নথি, রাজউক থেকে পাওয়া দলিল, বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনার কথা জানিয়ে বলা হয়, মনির হোসেনের বৈধ আয়ের উল্লেখযোগ্য কোনো উৎস নেই। দুদকের উপ-পরিচালক সামছুল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম এ অনুসন্ধান করছেন।

২০১২ সালের এপ্রিলে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে এক কোটি ৬১ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছিল দুদক। দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক হারুন অর রশীদ বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন। আদালতে রিটসহ বিভিন্ন জটিলতায় মামলাটির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। কয়েক জন কর্মকর্তা বদলের পর বর্তমানে দুদকের উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন মৃধা এ মামলার তদন্ত করছেন।

মেরুল বাড্ডায় মনিরের ছয়তলা বাড়িতে র‍্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসুর নেতৃত্বে ২০ নভেম্বর মধ্যরাতে অভিযান চালায়। স্বর্ণ চোরাচালান ব্যবসার সময় গোল্ডেন মনির নামে পরিচিতি লাভ করে। তবে ২০০১ সালের পর থেকে সে এ ব্যবসা গুটিয়ে আনে এবং জমির ব্যবসার দিকে নজর দেয় মনির।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *