শিরোনাম
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী  নাট্যোৎসব শুরুধানের শীষের পক্ষে লিফলেট হাতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ছাত্রদল নেতা আজমাইনচুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনবাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ৩৬ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনগাজীপুরে খাল খনন,নতুন শিল্প স্থাপন ও ওভারপাসের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানেররফিকুন নাহার প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিতদুই দশক পর গাজীপুরে আসছেন তারেক রহমান,সকল প্রস্তুতি সম্পন্নহাফিজুর রহমানকে জনতার নিঃশ্বাস পত্রিকা পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা৩৭ লাখ পাওনা টাকা চাওয়ায় কাজী হেলাল উদ্দিন কে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনবেগম জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় গাজীপুর প্রেসক্লাবের দোয়াগাজীপুরে বৈধ ৩৪ জনের মনোনয়ন, বাতিল ১৯চুনারুঘাটের আমুরোড বাজার জামে মসজিদে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা শ্রীপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আটক ১০আচরণবিধি মেনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল করিম রনিত্রিশালে মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত নয় জন প্রার্থী জমা দিলেনত্রিশালে ৫৮টি ইটভাটার মধ্যে ৪০টিই অবৈধত্রিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস উৎযাপিতত্রিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয় র‍্যালিআন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এনপিএসের সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন সাংবাদিক ছাবির উদ্দিন রাজু ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিত্রিশালের নবাগত ইউএনওর সাথে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা
.
Main Menu

বাংলাদেশের সেই দুঃসহ স্মৃতি!

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

ক্রীড়া ডেস্ক |

‘অধিনায়ক হিসেবে ওই রাত কাটানো ছিল আমার জন্য সবথেকে কঠিন। পুরো দল হোটেলে ফিরে লবিতে বসে আছে। কেউ কাউকে ছেড়ে যাচ্ছিল না। পুরো দল একসঙ্গে। হতভম্ব। কোনো কিছু বুঝার আগে ম্যাচটা আমরা হেরে গিয়েছিলাম। কেউ বিশ্বাস করতে পারছিল না। প্রত্যেককে সান্তনা দেওয়া আমার জন্য কঠিন ছিল। অধিনায়ক হিসেবে ওই সময়টা ছিল আমার জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং।’

এক সাক্ষাৎকারে বেঙ্গালুরুর দুঃসহ স্মৃতি মনে করে কথাগুলো বলেছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। পাক্কা চার বছর আগে আজকের দিনেই বেঙ্গালুরুতে ঘটেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাবিধুর দিন! কি ঘটেছিল? চলুন ফ্ল্যাশব্যাক করি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ-ভারত। ১৮ বছর পর ভারতের বিপক্ষে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বাংলাদেদেশের। ২০১৬ সালের আগে ১৯৯৮ সালের ২৫ মে খেলেছিল দুই দল। প্রতিবেশি দুই দেশের লড়াইয়ে ছড়িয়েছিল উত্তেজনা, রোমাঞ্চ।

প্রথম অর্ধে ভারতের উৎসব মাটি করে দিয়েছিল বাংলাদেশ। রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি ও ধোনিদের থামিয়ে দেয় মাত্র ১৪৬ রানে। মন্থর শুরুর পর ইনিংসের মধ্যভাগে গিয়ার শিফট করে জয়ের বন্দরের কাছাকাছি চলে যায় বাংলাদেশ। শেষ ৬ বলে দরকার মাত্র ১১ রান। ক্রিজে তখন দুই ‘ভায়রা’;মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। বল হাতে হার্দিক পান্ডিয়া।

প্রথম বলে মাহমুদউল্লাহ ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদল করলেন। পরের বলে মুশফিক কাভার দিয়ে বাউন্ডারি হাঁকালেন। ব্যবধান নেমে আসল ৪ বলে ৬। পরের বলে স্কুপ করে আরেকটি বাউন্ডার। ধোনি ড্রাইভ দিয়েছিলেন। কিন্তু নাগালে পাননি। জয় থেকে মাত্র ২ রান দূরে বাংলাদেশ। কিন্তু জয় নিশ্চিতের আগেই মাঠে মুশফিক, মাহমুদউল্লাহর উদযাপন শুরু হয়ে যায়।সেখানেই ম্যাচ হেরে বসে বাংলাদেশ! পরের দুই বলে মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ আউট। শেষ বলে রান আউট মুস্তাফিজ। ১ রানে হার বাংলাদেশের!

ভারতের স্টেডিয়ামে খেলা দেখার একটা আমেজ আছে। আপনি যদি খেলায় মনোযোগী নাও হন, তাহলে সমস্যা নেই। গ্যালারির উন্মাদনা দেখে বুঝে যাবেন মাঠে কী চলছে! স্বাগতিকদের যখন দাপট চলে তখন গ্যালারিতে গগণবিদারী চিৎকার। আর সফরকারী দলের বাউন্ডারি, ওভার বাউন্ডারি আর বোলিংয়ে উইকেট মানে পিনপতন নীরবতা। শেষ ৩ বল বাদ বেঙ্গালুরু স্টেডিয়াম ছিল মিয়ম্রাণ। আর ম্যাচ শেষ হওয়ার পর বেঙ্গালুরুর গ্যালারি উন্মাতাল।

ম্যাচ হারলেও বাংলাদেশ হৃদয় জিতেছিল। অবশ্য এমন হৃদয় এর আগে-পরে একাধিকবার জিতেছে বাংলাদেশ। ২০১২ এশিয়া কাপ ফাইনাল, ২০১৮ নিদাহাস ট্রফির ফাইনাল তো বাংলাদেশ নিজেদের হাত থেকে ফসকে দেয়।

বেঙ্গালুরুর হারের দায়মোচন করেছেন মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ। গত বছরের নভেম্বরে দিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতকে টি-টোয়েন্টি হারায় বাংলাদেশ। তিন বছর পর আবার মুশফিক একই উল্লাস করেছেন। শূণ্যে ঘুষি ছুঁড়েছেন, প্রতিপক্ষকে চোখ রাঙানি দিয়েছেন। তাতে বেঙ্গালুরুর দুঃস্মৃতি মুছে ভারতের মাটিতে প্রথম বিজয়ের চিত্র আঁকে বাংলাদেশ।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *