শিরোনাম
রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ ও পেশাজীবীদের সম্মানে ত্রিশাল উপজেলা জামায়াতের ইফতারত্রিশালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালনশহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার আদর্শ ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে-গাজীপুরে জিয়া পরিষদ নেতৃবৃন্দদৈনিক আমাদের সংবাদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানত্রিশাল মোবাইল কোর্টের অভিযান, মামলা ও জরিমানাডুয়েটে ছাত্রদলের ইফতার,শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার জন্য বিশেষ মোনাজাতগাজীপুরে মশক নিধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন নতুন প্রশাসক১৮০ দিনের পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে জিসিসি নবনিযুক্ত প্রশাসক শওকত হোসেনকাশিমপুর থানা বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতত্রিশালে নবনির্বাচিত এমপি ডা. মাহবুবর রহমান লিটনের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিলময়মনসিংহ (৭)ত্রিশালে নবনির্বাচিত এমপি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাদের সাথে মতবিনিময়গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হলেন শওকত হোসেন সরকাররফিকের পরকীয়ায় ভবিষ্যত অনিশ্চিত দুই সন্তানের,বন্ধ পড়াশোনা, ঘুরছেন দ্বারে দ্বারেত্রিশালে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজমুক্ত ভালুকা ঘোষণায় কঠোর বার্তা নবনির্বাচিত এমপি ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুরএনসিপি প্রার্থী আলী নাছেরের বিরুদ্ধে হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগশেষ মুহুর্তের প্রচারণায় মাঠ চষে বেড়িয়েছেন বিএনপি নেতা রিজভীগফরগাঁওয়ে জামায়াতের নির্বাচনি সমাবেশ, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণায় জনসমাগমকাশিমপুর থানা বিএনপিতে যোগদান করলেন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা
.
Main Menu

ত্রিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বিজয় র‍্যালি

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

হানিফ আকন্দ,ত্রিশাল প্রতিনিধি:: ৯ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ত্রিশাল মুক্ত দিবস। দেশমাতৃকাকে রক্ষা করতে মুক্তিকামী দামাল ছেলেরা ঝাঁপিয়ে পড়েছিল যুদ্ধে।৮ ডিসেম্বর রাতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা সংঘবদ্ধ হয়ে রাতে আক্রমণ চালায় থানার ঘাঁটিতে। রাতভর সম্মুখ যুদ্ধের পর ৯ ডিসেম্বর ভোররাতেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয়েছিল ত্রিশাল। ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে নির্দেশনা আসে পাকিস্তানি ক্যাম্প আক্রমণ করে ত্রিশাল থানা দখলের। মুক্তিযোদ্ধারা সংঘবদ্ধ হয়ে রাতে আক্রমণ করেন থানা ঘাঁটিতে। ১১ নম্বর সেক্টরের এফ জে সাব-সেক্টর আফসার বাহিনীর কমান্ডার আইয়ুব আলী, টুআইসি আব্দুল বারী মাস্টার ও ভালুকার মেজর আফসার বাহিনীর নাজিম উদ্দিন কমান্ডারের নেতৃত্বে গভীর রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখযুদ্ধ হয়। মুক্তিবাহিনীর কাছে যুদ্ধে পরাজিত হয় হানাদার বাহিনী। রাতভর প্রাণপণ লড়াইয়ের পর ওই সম্মুখযুদ্ধে ৯ ডিসেম্বর ভোররাতের মধ্যেই দখলে আসে ত্রিশাল থানা। পরে ত্রিশাল ছেড়ে পালিয়ে যায় পাকিস্তানি হানাদাররা। ত্রিশাল মুক্ত দিবস উপলক্ষে আজ (৯ ডিসেম্বর) মঙ্গলবার সকালে বিজয় উল্লাসে মেতে উঠল ত্রিশাল উপজেলা। দিনটি উদযাপন করতে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে বের হয় এক বর্ণাঢ্য ও মনোজ্ঞ বিজয় শোভাযাত্রা (*র‌্যালি*)। স্বাধীনতা-চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত এই র‌্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পুরো পথজুড়ে ছিল বিজয় ধ্বনি, জাতীয় পতাকা আর উৎসবের আমেজ, যা পথচারীদেরও আকর্ষণ করে।এসময় উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরাফাত সিদ্দিকী।উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুর রহমান। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুর ইসলাম।বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম মোমেন সহ অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে র‌্যালিতে অংশ নিয়ে তারুণ্যের উচ্ছ্বাস যোগ করে। শোভাযাত্রাটি পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে শেষ হওয়ার পর, উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজন করা হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা। এতে বক্তারা ত্রিশালের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস ও শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।এই বিজয় র‌্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে ত্রিশালের জনগণ আরও একবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *