শিরোনাম
পহেলা বৈশাখের বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর গফরগাঁওপাগলা থানা যেই নামে উপজেলা’হবে সেই নামে ঘোষণা- অন্য নামে নয়-এ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশদেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা আজমাইনগফরগাঁও সহ দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ফখরুল হাসানগাজীপুরে ৯০ স্টল নিয়ে ৭দিনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধনত্রিশালে মাদকবিরোধী অভিযান, ইয়াবা-গাঁজাসহ দুইজন গ্রেফতারত্রিশাল থানার ওসি মনসুর আহমেদের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতফ্যামিলি ডে ও অক্সফোর্ড স্কলার্স ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষার ক্রেস্ট, সম্মানী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত অটোপাশের দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের ওপর ফের হামলাগাজীপুরে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরুত্রিশালে জাতীয়ভাবে উদযাপিত হতে যাচ্ছে নজরুল জয়ন্তী,সাংস্কৃতিক বিকাশে ব্যাপক প্রস্তুতি ও মতবিনিময় সভানজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে জিএসটি গুচ্ছ ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত​ত্রিশাল থানায় ৩ বছরের শিশু লাবিব হত্যা: ঘাতক পিতা ও সৎ মা গ্রেপ্তারতেল ষড়যন্ত্র কাঠোরভাবে দমন করা হবে- জিএমপি কমিশনারভুল চিকিৎসা প্রতারণা ত্রিশালে ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালাবিদেশি বিনিয়োগকারীকে হয়রানির অভিযোগ প্যাসিফিক ফুটওয়্যারের এমডির বিরুদ্ধেগাজীপুরে সাংবাদিক আসাদের ওপর হামলা ও ভাড়াটে কর্মকান্ডের অভিযোগে নারী গ্রেফতারভৈরবে পেট্রোল পাম্পে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি মিলছে না,ভোগান্তিতে চালকরাউপজেলা প্রেসক্লাব ত্রিশাল স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনগাজীপুরের সাংবাদিকদের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়
.
Main Menu

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ব্যবহার এখন সময়ের দাবি- টিপু

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

 


হাফিজুর রহমান:

সর্বস্তরে বাংলা ভাষা ব্যবহার এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করেন আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক জুনায়েদ হুসাইন টিপু। গতকাল একান্ত আলাপচারীতায় এসব কথা বলেন ছাত্রলীগের এই নেতা। তিনি বলেন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ যে ভাষার জন্য আন্দোলন করে জীবন দিয়েছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি তখনই শ্রদ্ধা জানানো হবে যখন সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োগ হবে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখনও মুঠোফোনে বার্তা গুলো ইংরেজি ভাষায় যা আমার দেশের মানুষ পড়তে বা বুঝতে পারে না। বিভিন্ন সাইনবোর্ড ইংরেজিতে, বিদ্যুৎ বিলসহ সরকারি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও ইংরেজি ভাষার ব্যবহার আমাদের মর্মাহত করে। আমাদের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা প্রসঙ্গে বলা আছে, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।’ এর মানে সংবিধান যেদিন প্রণীত হলো, সেদিন থেকেই এই রাষ্ট্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। আমরা দেখছি, প্রশাসনে বাংলার ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু এর উল্টো দিকে অন্ধকারও আছে।

১৯৮৭ সালে দেশে বাংলা ভাষা প্রচলন আইন হয়েছে। আইন করার পরে যে সর্বস্তরে বাংলার প্রচলন হয়েছে, সেটা আমরা বলতে পারি না। উচ্চ আদালতে বাংলা চালু হয়নি। সেখানে আইনি পরিভাষার দোহাই দেওয়া হয়। কিন্তু কয়েকজন সম্মানীয় বিচারপতি বাংলা ভাষায় রায় দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে বাংলা ভাষায় রায় দেওয়া যায়। আমাদের শিক্ষাক্ষেত্রে, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও জটিলতা থেকে গেছে। যেখানে আমরা বাংলার প্রচলন করতে পারিনি। রাষ্ট্রের একটা ভাষানীতি এবং ভাষা–পরিকল্পনা থাকা দরকার। আর তা দরকার একটা ভবিষ্যৎ-মুখী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। আমাদের এসব হয়নি। হ্যাঁ, অন্য ভাষা শিখতে হবে। কিন্তু সেটা আমাদের বাংলা ভাষা বাদ দিয়ে তো নয়। সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোথায় কোথায় সমস্যা আছে, আমরা যদি এই প্রশ্নগুলো তুলতে পারি তবেই মনে হয় এসকল সমস্যার সমাধান সম্ভব।

টিপু দূঢ়তার সাথে বলেন,সর্বস্তরে বাংলা ভাষা অচিরেই বাস্তবায়িত হবে বলে আমার বিশ্বাস।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *