কাউন্সিলরসহ জোড়া খুন: হিট স্কোয়াডের সম্ভাব্য ৬ জন শনাক্ত
ইপেপার / প্রিন্ট
আবু নাসের খাঁন (পলাশ) কুমিল্লা থেকে::
কুমিল্লায় কাউন্সিলর সোহেলসহ জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং প্রযুক্তির সহায়তায় কিলিং মিশনের হিট স্কোয়াডের সম্ভাব্য ছয়জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।
এরা হলেন- শাহ আলম, সাজেন, সাব্বির, জেল সোহেল, নাজিম এবং ফেনী থেকে আগত একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি।
রোববার সন্ধ্যায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন দুপুরে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া ছয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ঘটনাস্থলের অদূরে সংরাইশ এলাকার রাব্বী ইসলাম প্রকাশ অন্তু (১৯) নামের একজনের বাসায় অবস্থান নিয়ে দুপুরের খাবার খায়। আর ঘটনার আগের রাতে তারা বৈঠক করে সাজেনের বাসায়।
পুলিশ ধারণা করছে, কাউন্সিলরকে খুনের সর্বশেষ পরিকল্পনা করা হয় ওই দুই বাসায় বসে। এ মামলায় জিসান মিয়া (২৮) ও অন্তু নামে আরও দুই জনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এমন তথ্য বের হয়ে আসে।
রোববার রাতভর অভিযান চালিয়ে পুলিশ জিসানকে গ্রেপ্তার করে। জিসান নগরীর সুজানগর এলাকার নূর আলীর ছেলে। পরে জিসানের দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ অন্তুকে গ্রেপ্তার করে। জিসান ওই হত্যা ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার এজাহারনামীয় ৮ নম্বর আসামি। আর অন্তু সন্দেহভাজন আসামি। তিনি নগরীর সংরাইশ এলাকার বাদল মিয়ার ছেলে। সোমবার বিকেলে তিনি কুমিল্লার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রাতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সোহান সরকার।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার গভীর রাতে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী এলাকা থেকে জিসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যমতে তার নিকটাত্মীয় সন্ধিগ্ধ আসামি অন্তুকে একই রাতে দেবিদ্বার উপজেলা সদর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনওয়ারুল আজিম জানান, এজাহারবহির্ভুত গ্রেপ্তার অন্তু ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি আসামিদের বিষয়ে অনেক তথ্য দিয়েছেন। সর্বশেষ ২ জনের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এই মামলার ১১ জন এজাহারনামীয় আসামির মধ্যে পাঁচ জনকে ও অজ্ঞাতনামা থেকে একজনসহ মোট ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সোহান সরকার সাংবাদিকদের বলেন, আসামি অন্তুর জবানবন্দি, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয়ভাবে তদন্তে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া হিট স্কোয়াডের ৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেলে নগরীর সুজানগর সংলগ্ন পাথুরিয়াপাড়া এলাকায় মেসার্স থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল এবং তার সহযোগী হরিপদ সাহাকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
এ ঘটনায় নিহত কাউন্সিলর সোহেলের ভাই সৈয়দ রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনসহ মোট ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
Related News
জিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুসের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন:: বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ, জিয়া পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশRead More
গাজীপুরে এনআইসিইউ না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে হামে আক্রান্ত বাচ্চার স্বজনদের
হাফিজুর রহমান,গাজীপুর:: হামে গাজীপুরে এই পর্যন্ত মৃত্যু না থাকলেও কমেনি আক্রান্তের সংখ্যা। দিন দিন হামRead More

