ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন সাংবাদিক হানিফ আকন্দ
ইপেপার / প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক:: ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবির আন্দোলনে ভাষা শহীদ ও ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দৈনিক মুক্ত কাগজ ও সাপ্তাহিক জনতার নিঃশ্বাস পত্রিকার ত্রিশাল প্রতিনিধি সাংবাদিক হানিফ আকন্দ। সাংবাদিক হানিফ আকন্দ বলেন,বাঙালির গর্বের এবং শোকের দিন একুশে ফেব্রুয়ারি। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় ১৯৫২ সালের এই দিনে বুকের তাজা রক্তে রাজপথ রঞ্জিত করেছিলো বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা।আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। এই ভাষাকে নিয়ে আমরা গর্ব করি। ১৯৫২ সালে বুকের রক্ত দিয়ে সালাম, সফিক, বরকত, জব্বার, রফিক যে ইতিহাস রচনা করেছেন, সেটিই হয়ে উঠেছে বাঙালির অধিকার আদায়ের, মাথা নত না করার চির প্রেরণা। তিনি আরো বলেন, তাই একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি দিন নয়, বাঙালির আবেগ, ভালোবাসা, আত্মপরিচয়ের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়া এক প্রেরণার উৎস। আমরা শ্রদ্ধাবনতচিত্তে ভাষা আন্দোলনের জানা-অজানা সব শহীদকে স্মরণ করি।শুদ্ধভাবে মাতৃভাষার চর্চা ও সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন এখন সময়ের দাবি। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিদেশি ভাষা শিক্ষায় জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি সঠিক ও শুদ্ধভাবে বাংলাভাষা শিক্ষাও জরুরি। আসুন আজ থেকে আমরা প্রতিজ্ঞা করি জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চর্চা এবং প্রচলন করবো। জাতি হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব হচ্ছে শহীদ সালাম, জাব্বার, রফিক, বরকত সহ সকল শহীদের অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য তুলে ধরা। এ কথাগুলো জানিয়ে দেয়া যে, সকল ভাষা শহীদ আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র, আমাদের জন্য আল্লাহর রহমত স্বরূপ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তাঁদের ত্যাগ ও তাঁদের অবদান হবে দেশ প্রেমের অনুকরণীয় আদর্শ।ফেব্রুয়ারি মাস ভাষার মাস। এ মাস আমাদেরকে মাতৃভাষা ও ভাষার জন্য জীবনদানকারী বীর শহীদদের স্মরণ করিয়ে দেয়। যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি নিজেদের ভাষায় কথা বলার স্বাধীনতা, তাদের প্রতি রয়েছে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তারা কিয়ামাত পর্যন্ত আমাদের নিকট অমর হয়ে থাকবে। প্রতিদান দিবসে তাঁরা আল্লাহর নিকট পাবেন উত্তম প্রতিদান।যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে গেছেন, তাঁদের রক্তের ঋণ শোধ হবার নয়। জ্ঞানীদের কথা, রক্তঋণ এবং মায়ের দুধের ঋণ কখনো শোধ হয় না। তাই ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রের উচিত, তাদের পরকালীন জীবনের সুখ-শান্তি কামনায় এবং তাঁদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে ধর্মীয়, সেবামূলক, শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করে তাদের মর্যাদাকে সমুন্নত করা। তাদের পরকালীন জীবনের জন্য সাদকায়ে জারিয়ার ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিকট তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরাও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এমন কোনো কাজ না করা, যা দ্বারা তাদের পরকালীন জীবনের জন্য গোনাহের কাজ হয়।
Related News
জিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুসের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন
জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন:: বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ, জিয়া পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশRead More
গাজীপুরে এনআইসিইউ না থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে হামে আক্রান্ত বাচ্চার স্বজনদের
হাফিজুর রহমান,গাজীপুর:: হামে গাজীপুরে এই পর্যন্ত মৃত্যু না থাকলেও কমেনি আক্রান্তের সংখ্যা। দিন দিন হামRead More

