শিরোনাম
আসে ১২ ই ফেব্রুয়ারি ভোট যায়—উন্নয়ন বঞ্চিত ময়মনসিংহ–৭ ত্রিশালের মানুষসাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে আতাউল্লাহ আমিনের প্রতিবাদ, সুবিচারের মোড়ে হামলার নিন্দাভুল সিজারিয়ানে প্রসূতির মৃত্যু গফরগাঁও প্রাইভেট আলিফ হাসপাতালে, এলাকায় আতঙ্কভবানীপুরে রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর পক্ষে যুবদল নেতা রবিনের গণসংযোগনজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাত দিনব্যাপী  নাট্যোৎসব শুরুধানের শীষের পক্ষে লিফলেট হাতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন ছাত্রদল নেতা আজমাইনচুনারুঘাটের আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনবাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার ৩৬ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনগাজীপুরে খাল খনন,নতুন শিল্প স্থাপন ও ওভারপাসের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানেররফিকুন নাহার প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিতদুই দশক পর গাজীপুরে আসছেন তারেক রহমান,সকল প্রস্তুতি সম্পন্নহাফিজুর রহমানকে জনতার নিঃশ্বাস পত্রিকা পরিবারের ফুলেল শুভেচ্ছা৩৭ লাখ পাওনা টাকা চাওয়ায় কাজী হেলাল উদ্দিন কে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনবেগম জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় গাজীপুর প্রেসক্লাবের দোয়াগাজীপুরে বৈধ ৩৪ জনের মনোনয়ন, বাতিল ১৯চুনারুঘাটের আমুরোড বাজার জামে মসজিদে আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা শ্রীপুরে মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আটক ১০আচরণবিধি মেনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল করিম রনিত্রিশালে মনোনয়নপত্র চূড়ান্ত নয় জন প্রার্থী জমা দিলেনত্রিশালে ৫৮টি ইটভাটার মধ্যে ৪০টিই অবৈধ
.
Main Menu

আসে ১২ ই ফেব্রুয়ারি ভোট যায়—উন্নয়ন বঞ্চিত ময়মনসিংহ–৭ ত্রিশালের মানুষ

ইপেপার / প্রিন্ট ইপেপার / প্রিন্ট

হানিফ আকন্দ,ত্রিশাল প্রতিনিধি:: ভোট আসে, ভোট যায়—উন্নয়ন বঞ্চিত ময়মনসিংহ-৭ এর মানুষ। ময়মনসিংহ -৭ ত্রিশাল আসনে এবার ৬ জন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা।ত্রিশাল পৌরসহ প্রত্যেকটি ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরেই উন্নয়নহীনতার প্রতীক হয়ে আছে। বারবার সরকার পরিবর্তন হয়েছে, জনপ্রতিনিধি বদলেছে—কিন্তু বদলায়নি সাধারণ মানুষের জীবনমান। ভোট হয়, সরকার আসে-যায়, অথচ এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন আজও কাগজেই সীমাবদ্ধ। গত ১৭ বছর ধরে এই আসনটি ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। তার আগে কিছু সময় ছিল বিভিন্ন দলের নিয়ন্ত্রণে এই সংসদীয় এলাকা। প্রায় তিন দশকের রাজনৈতিক শাসনামলে উন্নয়নের বহু প্রতিশ্রুতি শোনা গেলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন খুবই সামান্য। ময়মনসিংহের গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে গড়ে ওঠেনি উল্লেখযোগ্য কোনো শিল্প-কারখানা, সৃষ্টি হয়নি পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান। ফলে খেটে খাওয়া মানুষ ও যুবসমাজ আজও দারিদ্র্য ও বেকারত্বের বেড়াজালে বন্দি। এই আসনে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৬ জন রাজনৈতিক ব্যক্তি।দুই জন সতন্ত্র,বাকি ৪ জন দলীয় আসন থেকে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনীত প্রার্থী ডাক্তার মাহবুবুর রহমান লিটন, ১০ দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামাতে ইসলাম থেকে মনোনীত প্রার্থী মোঃ আসাদুজ্জামান সোহেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে থেকে মনোনীত প্রার্থী মোঃ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ, জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত প্রার্থী জহিরুল ইসলাম, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ আনোয়ার সাদাত, স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। প্রার্থীদের ঘিরে ত্রিশালের প্রত্যেকটি এলাকায় এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা তুঙ্গে উঠলেও সাধারণ মানুষের মনে জাগছে বাস্তব ও কঠিন প্রশ্ন—এই পরিবর্তন কি কেবল মুখের কথা, নাকি সত্যিই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে? কার হাতে ত্রিশালের দায়িত্ব দিলে হবে উন্নয়নের ছোঁয়া। এ বিষয়ে ত্রিশালের বেশ কয়েকজন প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন ঘোষণা করেন। ত্রিশাল নিয়ে তাদের উন্নয়নের পরিকল্পনায় প্রার্থীরা বলেন, ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের আসনের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। এই এলাকা দীর্ঘদিন অবহেলিত থেকেছে। উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বাড়ানোর মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।” এবং সেই সাথে সবগুলো প্রার্থীর ইশতেহারে ঘোষণার প্রথম উন্নয়নমূলক কাজ হল ত্রিশালের রাস্তাঘাট উন্নয়ন করা। প্রার্থীরা আরো বলেন, “আমাদের যুবসমাজকে মাদকমুক্ত করে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। শুধু রাজনীতি নয়, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের বাস্তব উদ্যোগ নিতে চাই। শিল্প, ব্যবসা ও বাণিজ্যের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কর্মের পরিবেশ সৃষ্টি করাই আমাদের লক্ষ্য।” দেখা গেছে সংবাদ সম্মেলনে একই প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, এই আসনের সবগুলো প্রার্থী। তবে শেষ পর্যন্ত কার দিকে ঝুঁকে পড়ে ভোটারদের রায় সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে এই সংসদীয় এলাকা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নির্বাচনের আগে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখানো হলেও ভোট শেষ হলেই জনপ্রতিনিধিদের খোঁজ মেলে না। কৃষিপ্রধান এই অঞ্চলে নেই আধুনিক কৃষিভিত্তিক শিল্প, নেই পণ্য সংরক্ষণ ও বিপণনের ব্যবস্থা। ফলে কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, আর যুবসমাজ কাজের সন্ধানে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।স্থানীয়দের মতে, ময়মনসিংহ–৭ আসনের মানুষ আর আশ্বাসের রাজনীতি চায় না। তারা চায় দৃশ্যমান উন্নয়ন—কলকারখানা, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বাস্তব বিনিয়োগ। নতুন প্রার্থী আদৌ কি সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন, নাকি অতীতের মতোই এই আসন থেকে আবারও উন্নয়ন হারিয়ে যাবে—এ প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জনমনে। ময়মনসিংহ–৭ আসনের মানুষ এবার আর শুধু ভোট দেওয়ার যন্ত্র হতে চায় না। তারা চায় কাজের রাজনীতি, চায় জবাবদিহি, চায় স্থায়ী উন্নয়ন। এখন সময়ই বলবে—এই আসনে ভোটের ফল শুধু ক্ষমতার পালাবদল ঘটাবে, নাকি সত্যিকার অর্থে বদলাবে মানুষের ভাগ্য।






Related News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *