আরিফুল ইসলাম, ব্যুরো চীফ-ময়মনসিংহ ::
বিশেষ মানের কাদামাটি পুড়িয়ে ইট তৈরির কারখানাকে ইটভাটা বা ইটখোলা বলা হয়। নির্মাণ কাজে ব্যবহারোপযোগী পাথর সুলভ না হওয়ায় এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ অঞ্চল পলিগঠিত হওয়ায় নির্মাণ-উপাদান হিসেবে কাদামাটির তৈরি ইটের ওপর নির্ভরতা বেশি।
বাংলাদেশে প্রায় ৬,০০০ ইট প্রস্ত্ততকারী প্রতিষ্ঠান বছরে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ইট তৈরি হয় হয়। । অধিকাংশ ইটখোলা কেবল শুষ্ক মৌসুমে সচল থাকে। শহরে বা বড় মাপের নির্মাণ কাজের কাছাকাছি জায়গায় সাধারণত ইটখোলাগুলির অবস্থান। প্রতিবছর একই অবস্থানে ইটখোলা গড়ার চেষ্টা করা হয়। কোনো কোনো ইটখোলার নিজস্ব স্থায়ী কারখানার ছাউনি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা আছে।
সাধারণত বড় বিনিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি, স্বয়ংক্রিয় কারখানা-সুবিধাসম্পন্ন ইটখোলার বড় বড় প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলকভাবে উন্নতমানের ইট প্রস্ত্তত করা হয়,
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বালিপাড়া, বিয়ারা পাটুলি, মেসার্স ফরিদ ব্রিকস এন্ড কোং. মালিক মজিবুর রহমান। তিনি একজন মানবিক স্বতঃস্ফূর্তভাবে শ্রমীক দেরকে বেতন ও সুবিধা দিয়ে থাকেন। নিজ কর্মচারী ও ছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয় তিনি। তিনি যেমন ত্যাগী ঠিক তেমনিভাবে নিজ এলাকার মানুষের জন্যও স্বেচ্ছায় শ্রমের মাধ্যমে মন জয় করে নিয়েছেন সকলের। যেকোনো বিপদে সকলের আগে তিনি এগিয়ে যান। ইট দিয়ে সহযোগিতা পুরানো রাস্তাঘাট যে কোন প্রতিষ্ঠান ইট দিয়ে সহযোগিতা করে থাকেন এই মানবিক মালিক।