বৃহস্পতিবার , ১৬ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং || ৩রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ২৮শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরী

গাজীপুরের কাশিমপুরে কারখানায় অগ্নিকাণ্ড

প্রকাশিত হয়েছে-

জাহাঙ্গীর আলম,কাশিমপুর থেকে: কাশিমপুর এর ২নং ওয়ার্ড এলাকায় আজ শুক্রবার দুপুরে মাদার টেক্সটাইলস মিলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিপুল পরিমাণ সুতা তৈরির কাঁচামাল, সুতা সহ সুুতা তৈরির মেশিনারি পুড়ে গেছে। কারখানার ইলেকট্রিক শর্ট-সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কাশিমপুর থানা, ফায়ার সার্ভিস ও কারখানা সূত্রে জানা গেছে, কারখানার টিনশেড একতলা ভবনের ভেতরের একটি কক্ষে গতকাল রাত ১১টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। আগুন লাগার পরপরই কারখানার পক্ষ থেকে এলাকার (ডিবিএল) ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে ডিবিএল থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। পরে ইপিজেডএ এর আরও দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে আসে। তাদের চেষ্টায় প্রায় চার ঘণ্টা পর রাত তিনটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

একি আগুন থেকে আজ দুপুর দুইটায় পুনরায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কারখানার কর্তৃপক্ষ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে বিপিএলের ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট পুনরায় এসে দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।।

কারখানার উৎপাদন কর্মকর্তা শফিউল্লাহ জানায়, আগুন লাগার পরপরই কারখানায় কর্মরত শ্রমিকেরা বের হয়ে আসেন। তাই আগুনে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত করে জানানো হবে।

কারখানার প্রশাসনিক ব্যবস্থাপক জানান, তুলা দিয়ে সুতা তৈরির যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনে বিপুল পরিমাণ তুলা ও সুতা পুড়ে যায়।

তবে প্রতিষ্ঠানের অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সম্পর্কে তথ্যাবলী আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে আসেননি।

আর্থিক ক্ষতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রায় ৮০ কোটি টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে।

একই কারখানায় একাধিকবার অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্কিত কারখানার শ্রমিক। এছাড়াও গত কয়েক মাস এ বেতন আটকে রাখা, জাল কাগজপত্র দিয়ে শিশু শ্রমিক নিয়োগ সহ নানা অভিযোগ পাওয়া যায় কারখানার শ্রমিকদের কাছ থেকে।

কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবে খোদা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আগুনে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।