জনতার নিঃশ্বাস:
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭ তম জন্মদিন উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জননেতা জনাব মোঃ ইকরামুল হক টিটু মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতায় আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের উদ্যোগে পথশিশুদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের এই দিনে ধানমন্ডির ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নরপিশাচরা নিষ্ঠুরভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। সবেমাত্র চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি।
পড়তেন ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলে। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিরা তাকে হত্যা করে বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকার নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিলেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়- তাদের সেই অপচেষ্টা শতভাগ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।
শহীদ শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবুদ্ধিবোধ সম্পন্ন মানুষদের কাছে ভালোবাসার নাম। অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, অধিকার বঞ্চিত শিশুদের আলোকিত জীবন গড়ার প্রতীক হয়ে গ্রাম-গঞ্জ-শহর তথা বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ জনপদ-লোকালয়ে শেখ রাসেল আজ এক মানবিক সত্ত্বায় পরিণত হয়েছেন।
মানবিক চেতনা সম্পন্ন সকল মানুষ শেখ রাসেলের মর্মান্তিক বিয়োগ বেদনাকে হৃদয়ে ধারণ করে বাংলার প্রতিটি শিশু-কিশোর তরুণের মুখে হাসি ফোটাতে আজ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বঙ্গবন্ধু ও তার শিশুপুত্র শেখ রাসেলের হত্যায় জড়িত দণ্ডপ্রাপ্ত খুনিরা এখনও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পলাতক আছে।
আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দের প্রাণের দাবি এবং বর্তমান প্রজন্মের জন্য সময়ের দাবি দণ্ডপ্রাপ্ত এসব পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হোক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মোঃ মাহমুদুল হাসান সবুজ,যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াসিন আরাফাত খোকন,যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সজল,যুগ্ম আহ্বায়ক রেদওয়ানুল হুদা আজাদ ও ছাত্রনেতা তোফাজ্জল হোসেন ফকির।