জনতার নিঃশ্বাস:
নির্ধারিত কেন্দ্রের বাইরে থেকে সনদ নেওয়ায় ৩৪জন যাত্রীকে ফ্লাইটে উঠতে দেওয়া হয়নি।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিমানবন্দরের হেল্পডেস্ক এই তথ্য জানিয়েছে।
বিমানযোগে যেকোনো গন্তব্যে যেতে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নির্ধারিত কেন্দ্রগুলো থেকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার সনদ নিয়ে প্রথমবারের মতো আকাশপথে আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে যাত্রা করেছেন ৩৯৬ জন যাত্রী।
কাতার ও টার্কিশ এয়ারলাইন্সের আলাদা দুটি ফ্লাইটে রাতে ঢাকা ছাড়েন তারা। তবে নির্ধারিত কেন্দ্রের বাইরে থেকে সনদ সংগ্রহ করাসহ নানা কারণে কর্তৃপক্ষের বাধায় দুই ফ্লাইটে ৩৪ জন যাত্রীকে ইমিগ্রেশন পার হতে দেওয়া হয়নি।
সরকারের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে বর্তমান টিকিটেই পুনরায় যাত্রার ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ফেরত যাওয়া যাত্রীরা।
করোনা পরীক্ষা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর বিদেশ যাত্রার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক গন্তব্যে প্রথম ফ্লাইট ছিল গতরাতে। শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে ছিল কড়াকড়ি। বিদেশযাত্রায় সরকার নির্ধারিত কেন্দ্রগুলো থেকে করোনা পরীক্ষার সনদ নেওয়ার বাধ্যবাধকতার প্রথমদিনে সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে ছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।