উপ-সম্পাদকীয় :
সারাবিশ্ব আজ মহামারী করোনায় স্থবির। স্থবির হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের অর্থনীতিও।বাংলাদেশে করোনা ধরা পড়ে এই বছরের ৭ জানুয়ারি।
ময়মনসিংহের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা শহরে বিভিন্ন অবস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত। কিছু প্রতিষ্ঠানে আবাসিক ব্যবস্থা থাকলেও তা অপ্রতুল।
যেমন ময়মনসিংহের অক্সফোর্ড খ্যাত আনন্দমোহন কলেজে শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার এর পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিকে দুই হাজারের বেশি ব্যবস্থা নেই শিক্ষার্থী আবাসনের। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে নেই আবাসন ব্যবস্থা।
এই বছরেরই ১৬ মার্চ সরকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোঘণা করেন। তারই ফলশ্রুতিতে ময়মনসিংহ ছাড়তে বাধ্য হয় সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষার্থী নিজেদের আয় দিয়েই (টিউশনি ও খণ্ড কালীন চাকরি) করে নিজেদের খরচ মেটাতেন। যা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না।
ময়মনসিংহে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্তের সংখ্যা সিংহভাগ।
প্রাণঘাতী করোনার জন্য সারাদেশে সরকারের অঘোষিত লক ডাউনে প্রায় সকল শ্রেণি পেশার মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আজ বন্ধ।
নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোআজ রয়েছে বড় ধরণের অর্থনৈতিক সংকটে।
এই অবস্থায় ময়মনসিংহের মেস মালিকদের মানবিক সুদৃষ্টি প্রত্যাশা করছেন ময়মনসিংহে অধ্যয়নরত মেসে থাকা শিক্ষার্থীরা। মেস মালিকদের মানবিকতায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে গোটা দেশে।
নিজেদের মানবিক গুণের ফলে হয়তো মেস ভাড়া মওকুফ বা হ্রাস করে উদার মনের পরিচয় দিতে পারেন ময়মনসিংহের মেস মালিকরা।
এছাড়াও ময়মনসিংহের ছাত্র নেতৃবৃন্দ ইচ্ছে করলে প্রশাসনের সাথে বসে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এর সুষ্ঠু সুরাহা করতে পারেন।
হাফিজুর রহমান
কলামিস্ট ও নির্বাহী সম্পাদক,
জনতার নিঃশ্বাস পত্রিকা।