শুক্রবার , ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং || ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ২৯শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরী

ত্রিশালে ফজলুল হক হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবি স্থানীয়দের

প্রকাশিত হয়েছে-

হানিফ আকন্দ ত্রিশাল প্রতিনিধি:: ময়মনসিংহের ত্রিশালে পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে আহত কাঠ মিস্ত্রি সাইদুর রহমানের উপর হামলায় তাকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন তার ভাই ফজলুল হক। এই হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ, এলাকাবাসী ও স্বজনরা। ঘটনার এক মাস পেরিয়ে গেলেও মূল আসামীসহ সকল আসামীদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। শনিবার (৮ই মার্চ) খুন হওয়া ফজলুল হকের কবর জিয়ারত করতে গিয়ে এসব কথা বলেন তারা। এসময় তারা প্রতিবাদ সভাও করেন। জুম্মার নামাজের পর কবর জিয়ারত করতে আসেন ১২নং আমিরাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আঃ খায়ের ফরাজী, সঞ্চালনা করেন আমিরাবাড়ী বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবু সাঈদ মাস্টার, যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল বাসার ফকির মাস্টার, যুগ্ম আহ্বায়ক আইয়ুব আলী মৃধা, যুগ্ম আহ্বায় হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান খোকা, সদস্য মনিরুল ইসলাম প্লাবন মোল্লাসহ আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সহ তৃণমূলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় এলাকাবাসী। এসময় আমিরাবাড়ী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আঃ খায়ের ফরাজী বলেন, নিহত ফজলুল হক খুব ভালো মানুষ ছিলেন দ্রুত তার হত্যার সুষ্ঠু বিচার দেখতে চাই আমরা। প্রশাসন সকল আসামীদের গ্রেফতার করে দ্রুত বিচারের দাবি জানান তারা। জানা যায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইং পাওনা টাকা চাইতে গেলে স্থানীয় পলাশ মিয়া,অভি মিয়া,আব্দুল মোতালেব,নাছিমা খাতুন, বেদেনা খাতুন,সাধনা আক্তার সহ ৪/৫ জন মিলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ পিটিয়ে আহত করেন কাঠমিস্ত্রি সাইদুর রহমান কে।পরে তাকে বাঁচাতে গেলে তার ভাই ফজলুল হকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক ফজলুল হক কে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় গুরুতর আহত সাইদুর রহমান ও ফজলুল হকের মেয়ের জামাই। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।