শুক্রবার , ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং || ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৬ই জিলক্বদ, ১৪৪৭ হিজরী

আন্দোলন, সংগ্রাম ও উত্তপ্ত পিচঢালা রাজপথ যাঁর পরিচয়

প্রকাশিত হয়েছে-

জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন:: আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভী ছাত্র জীবনের শুরু থেকেই স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র রাজনীতি করেছেন। দাপিয়ে বেরিয়েছেন মেঠো পথ থেকে রাজপথ। তিনি রাজনীতির বৈরিতা কে আলিঙ্গন করে থেকেছেন সাধারণ মানুষের পাশে। তিনি জেল জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতনকে উপেক্ষা করে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’কে সুসংগঠিত করতে কাজ করছেন সাহসীকতার সাথে। বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচী সফলতার সাথে বাস্তবায়নের জন্য নেতা কর্মীদের নিয়ে মাঠে থাকেন সব সময়। বিএনপির সাংগঠনিক অবকাঠামো জোরদার ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন বিএনপি’র এই ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতা। আশির দশকে তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি হয় ছাত্রদলের মাধ্যমে। ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি বৃহত্তর মির্জাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত গাজীপুরের অন্যতম বিদ্যাপীঠ কাজী আজিম উদ্দিন কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৯০ সালে একই কলেজের ছাত্র সংসদের সমাজকল্যাণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর গাজীপুর সদর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন বেশ সফলতার সাথেই। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সালে তিনি গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি জড়ান যুবদলের রাজনীতিতে। তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গাজীপুর জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি গাজীপুর জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে বেশ দায়িত্বশীলতার সাথেই দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভীর বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ক্ষমতা, লড়াই ও সংগ্রাম সব কিছুতেই তাঁর অবদান যেন ঈর্ষনীয়। তিনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সবশেষ ২০২৪ সালের শেখ হাসিনা পতনের আন্দোলনেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। ছাত্র জীবন থেকে শুরু করে যুব রাজনীতি সফলতার পর এখন সাধারণ মানুষের নেতা হয়ে উঠেছেন। শুধু রাজনৈতিক নয় সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সকল ক্ষেত্রে তাঁর বিচরণ রয়েছে। ধর্মভীরু এই মানুষটি তৈরি করেছেন মসজিদ মাদ্রাসা। দলীয় সম্পর্কের বাইরে গিয়েও নিজ এলাকায় সর্বজন শ্রদ্ধেয় বিএনপি’র এই প্রবীণ নেতা। আওয়ামীলীগ সরকারের সময় মামলায় নির্যাতিত হয়ে ঘর ছাড়লেও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ছাড়েন নি তিনি। তাঁর উপর ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের মামলার ওয়ারেন্ট থাকার পরও সরকার পতনের আন্দোলনে গাজীপুর সদর উপজেলার রাজপথ থেকে শুরু করে ঢাকার রাজপথ পর্যন্ত কাপিয়েছেন তিনি। অগ্নিঝরা বক্তব্য আর স্লোগানে মুখরিত করে রেখেছেন রাজপথ। বিএনপির যেকোনো কর্মীর বিপদে আপদে ছুটে গেছেন। নীতিতে অটল থেকে জিয়াউর রহমানে আদর্শ বাস্তবায়নে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের সকল নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে সব সময় রাজপথ দখলে রেখেছেন তিনি। গরীব দুখী অসহায় মানুষের পাশে থেকে তাদের বিপদের সঙ্গী হয়েছেন। তাই তিনি গরীব ধনী নির্বিশেষে সকলের প্রিয় ও শ্রদ্ধার ব্যক্তি।