শুক্রবার , ২৪শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং || ১১ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ - গ্রীষ্মকাল || ৬ই জিলক্বদ, ১৪৪৭ হিজরী

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশে অগ্রগতি ও উন্নয়নের সূচনা- বিএনপি নেতা আবু সাইম মোল্লা

প্রকাশিত হয়েছে-

জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন:: ৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশে অগ্রগতি ও উন্নয়নের সূচনা বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক আবু সাইম মোল্লা।  তিনি বলেন,১৯৭৫ সালের এই দিনে আধিপত্যবাদী চক্রের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে আমাদের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে সিপাহী-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজপথে নেমে এসেছিলো। তাদের ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পায় সদ্য অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা।কয়েকদিনের দুঃস্বপ্নের প্রহর শেষে সিপাহী-জনতা ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের  প্রবর্তক, স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপদ্রষ্টা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে মুক্ত করে দেশ পরিচালনার গুরু দায়িত্ব অর্পণ করে। তাই ৭ই নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনের এক অনন্য ঐতিহাসিক তাৎপর্যমন্ডিত দিন। সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতস্ত্র, একদলীয় শাসন, জনজীবনের বিশৃঙ্খলাসহ তখনকার বিরাজমান নৈরাজ্যের অবসান ঘটে। একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ থেকে দেশ একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে ফিরে আসে।দেশবাসী সেদিন জিয়ার হাতেই তুলে দিয়েছিল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব। ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতা স্বকীয়ভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের চক্রান্তকারীদের খপ্পর থেকে দেশকে উদ্ধার করে ২৫ বছরের গোলামী চুক্তিকে হিমাগারে ফেলে দিয়ে সত্যিকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে স্থান করে নেয়।ওই সময় বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ (গুটি কয়েক বৈদেশিক অনুচর ছাড়া) এবং সশস্ত্রবাহিনীর পূর্ণ সমর্থন ও আস্থা নিয়ে দেশকে একটি উন্নতি, অগ্রগতি ও শান্তির পথে নিয়ে যায়। সিপাহী-জনতার মিলিত বিপ্লবে নস্যাত্ হয়ে যায় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী দেশী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র। আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসন থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। নতুন করে ২০২৪ সালে আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে দেশ কলঙ্ক মুক্ত হয়েছে। আমরা গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপি সব সময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারণ্যের অহংকার ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে জননেতা আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন রিজভী ভাইয়ের সাথে রাজপথে ছিলাম আছি ও থাকবো ইনশাল্লাহ। যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণকে সাধে নিয়ে থাকবো ইনশাল্লাহ।