জনতার নিঃশ্বাস প্রতিবেদন:: ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার আকমল হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ দূর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। আকমল হোসেনের অবৈধ সম্পদের খবর এখন পল্লী বিদ্যুতের ভিতরে ও বাইরে সকলের মুখে মুখে। তার দূর্নীতির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে মেলে জ্ঞাত আয়বহির্বূত সম্পদের তথ্য। সূত্রের দাবি সদ্য পদত্যাগ করা শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রীর সাথে ছিল এই জিএম এর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তাদের ঘুষ দিয়ে পদোন্নতি নেন এবং ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জিএম পদে অধিষ্ঠিত হন। সেসকল ক্ষমতাধর মন্ত্রীদের আশির্বাদপুষ্ট হয়ে তিনি দূর্নীতি, অনিয়ম আর স্বেচ্ছাচারীতা করে হয় উঠেন টাকার কুমিড়। নিজে কট্টর পন্থী আওয়ামীলীগ হবার কারণে অন্য দল বা মতের কাউকে সহ্য করতেন না তিনি। অধস্তন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও উপর মহলে হাত থাকার কারণে কার্যত তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারেনি কেউ। পল্লী বিদ্যুতের এই কর্মকর্তা অবৈধভাবে অঢেল সম্পদের মালিক বণে যান। তার নিজ নামে,স্ত্রী পূত্রদের নামে ছাড়াও নামে বেনামে সম্পদ গড়ে তোলেন তিনি। সূত্রের দাবি,তার লোন কাটার পর তিনি ৭১ হাজার ৪৪৫ টাকা বেতন পান। কিন্তু তার সম্পদের হিসেব দেখলে যে কারোর চক্ষু চড়কগাছ হবার উপক্রম। তিনি রাজধানীর বাড্ডায় দুটি ফ্ল্যাটের মালিক এছাড়াও উত্তরায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করে কিনেছেন জায়গাসহ বাড়ি। বিভিন্ন ব্যাংকে স্ত্রী ও সন্তান সহ আত্নীয়দের নামে রয়েছে কোটি কোটি টাকা। এছাড়াও তার সন্তান রাজধানীর একটি বেসরকারি ইউনিভার্সিটি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেন। যেখানে প্রতিমাসে টিউশন ফি ৫০ হাজার টাকা। যেখানে তিনি নিজে ৭১ হাজার টাকা বেতন পান সেখানে ছেলের মাসিক শুধুমাত্র টিউশন ফি ৫০ হাজার বিষয়টি রীতিমত অবাক করা বলে জানিয়েছেন তারই প্রতিষ্ঠানের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এবিষয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার আকমল হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
আকমল হোসেনের আরো তথ্যের অনুসন্ধান চলছে,বিস্তারিত পড়ুন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের দ্বিতীয় পর্বে…