উপ-সম্পাদকীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ে আদর্শ মানুষ ও প্রিয় ব্যক্তিত্বের ধারণা আরও ব্যাপকতা পায়। যাকেই পড়ি শ্রেষ্ঠ মনে হয়।
রবীন্দ্রনাথ নাকি নজরুল; সেক্সপিয়র নাকি ফ্রান্সিস বেকন, বঙ্গবন্ধু নাকি আব্রাহাম লিংকন, সক্রেটিস নাকি আইনস্টাইন, মহাত্মা গান্ধী নাকি মাদার তেরেসা, কনফুসিয়াস না গৌতম বুদ্ধ! সবাই গত। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জীবিত নেই। তাহলে নির্দ্বিধায় লিখে দিতাম আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু।
এখন কার নাম বলি! খুব বেশিক্ষণ ভাবতে হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যেই জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে আমার প্রিয় মানুষ ও ব্যক্তিত্ব নির্ধারণ করে নিলাম।
আমাদের ‘প্রিয় মানুষ ও আদর্শ ব্যক্তিত্ব’ বাংলাদেশের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সহনশীল রাজনীতির প্রবক্তা, বিশিষ্টজনদের শ্রেষ্ঠ , দানবীর ও জনবন্ধু জননেতা জনাব মোঃ ইকরামুল হক টিটু।
কেন তিনি আমাদের প্রিয় মানুষ ও আদর্শ ব্যক্তিত্বের তালিকায় রয়েছেন তা জেনে নেই।
তিনি স্ববিকশিত অনুপ্রেরণা। সুন্দর অবয়ব, চমৎকার ব্যবহার। ব্যক্তিত্বে আকর্ষণীয়, সদাহাস্যে অনুপম। অহঙ্কারের লেশমাত্র নেই। সমস্যা ও কারণ দুটোই দ্রুত এবং যথার্থ প্রত্যুৎপন্নমতিত্বে চিহ্নিত করতে পারেন।
বুদ্ধিমান, ধীর ও স্থির। তাঁর রাজনীতি, চিন্তা-চেতনা ও আর্থ-সামাজিক দর্শন সার্বজনীন মূল্যবোধের নির্লোভ মমতায় সৌরালোকের মত উদ্ভাসিত ও বাতাসের মত প্রসারিত।
যিনি পৌর মেয়র থাকাকালীন সময় ময়মনসিংহ পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে, প্রতিটি মোড়ে মোড়ে, এমন কিছু দৃষ্টিনন্দন কাজ করেছেন যার মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষের কাছে বিশ্বস্ত নেতা হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেছেন।
শুধু তাই নয় ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের পাশে নিজেকে এতোটাই সহজ সরল ভাবে তুলে ধরেছেন যে সাধারণ মানুষ তাদের নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হিসেবে উনাকেই মনে করেন।
জনতার হৃদয়ের অনুভূতি যিনি কর্মের মাধ্যমে প্রকাশ ঘটান। আর এভাবেই তিনি ময়মনসিংহের কেটে খাওয়া মানুষ হতে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছান।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন বাংলাদেশের ১২ তম সিটি কর্পোরেশন আর সেই সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা মাধ্যমে পৌরমেয়র থেকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রসাশক হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
তারপর বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনা তাঁর সফল কর্মের উপর আস্থাশীল হয়ে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নৌকার মাঝি হিসেবে মনোনীত করেন এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের অশেষ রহমতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগরপিতা হিসেবে নির্বাচিত হন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নগরপিতা হওয়ার পর থেকেই যিনি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর ও সমৃদ্ধশালী নগরী গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নেন এবং যার বেশিরভাগই বাস্তবায়নাধীন। শুধু তাই নয় যে মানুষটি জনতার তরে- সকাল থেকে সন্ধ্যা সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত এমনি সরকারি ছুটির দিনেও বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজেকে তুলে ধরেন।
তিনি প্রকৃতির মত সহনশীল, শিশুর মত সরল, জ্ঞানের মত বিশাল আর বৃষ্টির মত নির্লোভ। ক্ষমাশীলতার নান্দনিক ছন্দে আলোড়িত; বুদ্ধি, প্রখর দৃষ্টিভঙ্গী তাঁর রাগ, ক্ষোভ, ঘৃণা ও বিমর্ষতাকে চিরতরে মুছে দিয়েছে।
তিনি বঙ্গবন্ধুর ভক্ত, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের মাঝে আনন্দ খুঁজে পান। দান তাঁর পেশা, শিক্ষাবিস্তার নেশা।
তিনি একজন দেশপ্রেমিক, দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে, যে দুরারোগ্য করোনা নামক ব্যাধি বিশ্বব্যপী আতঙ্কিত আর এই মুহুর্তে কেউ ঘর থেকে বাহিরে আসছেন না, এমন পরিস্থিতিতে নিজে উপস্থিত থেকে এক রকম যুদ্ধ করে চলছেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ বাসীকে সচেতন করার লক্ষ্যে যা সারা বাংলার দৃষ্টান্ত হিসেবে অভিহিত করা যায়।
রাজনীতিকে ব্যক্তিস্বার্থে নয়, ত্যাগের মহিমায় লাস্যময় করার প্রতিযোগিতায় নিবেদিত।
প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের প্রতি অপরিসীম মমতায় তিনি সদা সচেতন। কারও সাথে দুর্ব্যবহার করেন না।
ধমনীতে উচ্চবংশীয় পবিত্র রক্তের প্রবাহ। তিনি দল মত নির্বিশেষে সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব ,খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ, বিশ্লেষণধর্মী ব্যক্তিত্ব, তুলনাহীন দাতা, অনাবিল শিক্ষানুরাগী।
যে মানুষটির ক্লান্তিবোধ ও অবসাদ কখনো লক্ষ্য করা যায়নি?
এই জন্যই যে গোটা ময়মনসিংহবাসীর ক্লান্তিবোধ ও অবসাদ নিজের ইস্কন্দে নিয়ে গোটা ময়মনসিংহ বাসীকে পরিশ্রম মুক্ত ও অবসাদ মুক্ত করার জন্য নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
তিনি পরিশ্রমী, তেজি ও আত্মপ্রত্যয়ী।
শত্র“কে বন্ধু বানিয়ে বিনাশ করেন।
তিনি ধর্মপ্রাণ কিন্তু অসাম্প্রদায়িক,
ধন্যাঠ্য কিন্তু নিরহঙ্কারী।
শিক্ষিত কিন্তু উন্নাসিক নন।
চিত্ত ও বিত্ত দুটোই তার উচ্চ শিক্ষার মত সমৃদ্ধ। বাংলাদেশের এমন আর কজন জনপ্রেমী ব্যক্তি রয়েছেন যিনি নিজ কর্ম প্রত্যয় ও বিশেষণে ঋদ্ধ।
এসব গুণাবলীর পরিপূর্ণতা তাঁকে হৃদযোগীতে পরিণত করেছেন। তাই জনতার মনের অধিনায়ক, বৃহত্তর ময়মনসিংহের আপামর জনসাধারণের বিশ্বস্ত বন্ধু, জনবন্ধু জননেতা জনাব মো. ইকরামুল হক টিটু আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব।
লেখক: মাহমুদুল হাসান সবুজ
আহ্বায়ক, আনন্দমোহন কলেজ ছাত্রলীগ।